বিশেষ প্রতিবেদন

রাবি উপাচার্যের সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ ও আদিবাসী শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের মতবিনিময়

আইপিনিউজ বিডি, ৮ অক্টোবর ২০২৬, রাজশাহীঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখা ও আদিবাসী শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা আজ ৮ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম মহোদয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন-১ এর কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মো. আব্দুল আলিম ও দর্শন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর মো. আরিফুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা, সাধারণ সম্পাদক ময়ন্ত তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাচুর্য্য চাকমা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বর্ষে অধ্যয়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ, রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটের বিষয়টি অবগত করেন এবং সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি উত্থাপন করেন। উপাচার্য মহোদয় আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলি শোনেন এবং সে বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবিনামাসমূহ:
১. আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে কোটা সিট সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
২. আদিবাসী শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি হলে কমপক্ষে পাঁচটি (০৫) রুম বরাদ্দ প্রদান করা।
৩. আদিবাসীদের সামাজিক উৎসবের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে ১২-১৬ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি অন্তর্ভুক্ত করা এবং পরীক্ষা চলমান থাকলে তা স্থগিত রাখা।
৪. আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চা করার জন্য আলাদা রুম বরাদ্দ দেওয়া।
৫. প্রশাসন কর্তৃক বৌদ্ধ ধর্মবলম্বীদের জন্য একটি বৌদ্ধ মন্দির বা প্যাগোডা নির্মাণ করা।

এছাড়াও পিসিপি’র রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি সুমন চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ, হত্যা, সাম্প্রদায়িক হামলাসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সংঘটিত হলে যখন ক্যাম্পাসে প্রতিবাদী মানববন্ধন ও মিছিল করা হয় তখন সোশ্যাল মিডিয়া ও বিশ্ববিদ্যালয় রিলেটেড গ্রুপ, পেইজে বাজে মন্তব্য, ট্যাগিং, বিদ্বেষ ও উস্কানিমূলক লেখালেখি দ্বারা ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার অপচেষ্টা করা হয়। তিনি এসব বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Back to top button