ব্যানবেইস’র তথ্যছকের নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ

ব্যানবেইস’র বৈষম্যমুলক এবং বিভ্রান্তিকর শিক্ষার্থী তথ্যছকের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ। একইসাথে গেজেটভুক্ত ৫০টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীসহ গেজেটে বাদপড়া সকল আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন মুন্ডা সাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলায় হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ১৬ মার্চ ২০২১ তারিখে একটি অফিস নির্দেশনায় দেশের মাধ্যমিকের ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষার্থী প্রোফাইল প্রণয়ন করার কথা জানানো হয়। এস্টাবলিশমেন্ট অব ইন্টিগ্রেটেড ইডুকেশনাল সিস্টেমস (IEIMS) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের মৌলিক ডাটাবেজ এবং ইউনিক আইডি প্রদানে কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য ৪ পৃষ্ঠার একটি মুদ্রিত শিক্ষার্থী তথ্যছক দেশের প্রতিটি উপজেলার মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতরনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলায় হয়, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ’র পক্ষে এই শিক্ষার্থী তথ্যছকটি পর্যালোচনা করে লক্ষ্য করা গেছে যে, ছকটির ‘ক’ অংশের ১৪ নং প্রশ্নে বলা হয়েছে শিক্ষার্থী ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠী কি না; প্রশ্নটির ১৪.১ নং বুলেটে ১২টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আদিবাসী ছাত্র পরিষদের পর্যবেক্ষন হচ্ছে, ২০১০ সালের সংস্কৃতিক মন্ত্রাণালয় কর্তৃক প্রণীত ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন নামে একটি গেজেট প্রকাশ করে এবং সেখানে দুই ধাপে মোট ৫০টি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দু:খজনক যে, ব্যানবেইস’র প্রণীত শিক্ষার্থী তথ্যছকে গেজেটভুক্ত অধিকাংশ আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নাম উল্লেখ করা হয় নি। এতে প্রায় ৩৮টির অধিক আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষার্থী প্রফাইলে নিজের জাতিগোষ্ঠীর পরিচয় থেকে বঞ্চিত হবে। যা আদিবাসী শিক্ষার্থীদের সঠিক পরিসংখ্যানে গুরুত্বর ত্রুটি হিসেবে আমরা বিবেচনা করছি, যেটা আদিবাসীদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমুহ ক্ষতির কারন হয়ে দাড়াবে।


