রাঙ্গামাটির আসামবস্তিতে এম এন লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী

আইপিনিউজ বিডি, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাঙ্গামাটিঃ জুম্ম জাতীয় জাগরণের অগ্রদূত মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ৩:০০ ঘটিকায় আসামবস্তি এলাকাবাসীর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাঙ্গামাটি শহর কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জগদীশ চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুমিত্র চাকমা, ১০৪নং ঝগড়াবিল মৌজার কার্বারী বুলিচাই মারমা প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনসংহতি সমিতির রাঙ্গামাটি শহর কমিটির সভাপতি দেব মোহন চাকমা, শহর কমিটির সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা।
শহর কমিটির সদস্য রিটেশ চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক শান্তু আসাম এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আসামবস্তির বাসিন্দা লোমা লুসাই।
প্রধান অতিথি জগদীশ চাকমা বলেন, এম এন লারমা শোষিত নিপীড়িত মেহনতি মানুষের নেতা ছিলেন। বর্তমান সময়েও এম এন লারমা খুবই প্রাসঙ্গিক। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নকালে এম এন লারমার প্রস্তাবনাগুলো এখন বাংলাদেশের জনগণ উপলব্ধি করছে। দেশ ও জনগণের কল্যাণে সরকার তার সংসদীয় প্রস্তাবনাগুলো এখনও গ্রহণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বহু ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। বর্তমান সরকার যদি অসাম্প্রদায়িক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দেশ গঠন করতে চায় তাহলে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অবশ্যই আদিবাসীদেরকে যুক্ত করতে হবে।
সুমিত্র চাকমা বলেন, এম এন লারমার আদর্শকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, শিশুদেরকে আদর্শিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে হবে। পরিবার ও সমাজ থেকে যাতে এম এন লারমার মতো দেশ ও জাতপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সেজন্য অবশ্যই শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে এবং তাদেরকে সচেতন করে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।


