অন্যান্য

ঢাবিতে খাঁচায় বন্দি প্রাণীদের মুক্তির দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ

সুমেধ চাকমা: “খাঁচায় বন্দী না করে আমাকে আমার আবাসস্থলে যেতে দাও”, “Animals do speak, but only to those who know how to listen.” লেখা দুটি ব্যানার নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে খাঁচাবন্দি হয়ে অবস্থান শুরু করেছেন পরিবেশকর্মী ও সাংবাদিক হোসেন সোহেল।

 

পৃথিবীর সকল খাঁচাবন্দি প্রাণীদের মুক্তির দাবিতে নিজেকে নিজে খাঁচায় বন্দি করে গত শনিবার সকাল থেকে তিনি এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

 

আইপিনিউজের সাথে কথা বলার সময় সোহেল জানালেন, “আগামী তিন দিন রাত-দিন খাঁচায় নিজেকে বন্দি রাখবেন তিনি। এই পৃথিবী কারো একার নয়, সবার। আমরা প্রকৃতিরই সন্তান। আমরা প্রকৃতিকে বাদ দিয়ে সব বিচার-বিশ্লেষণ করতে চাই। প্রকৃতিকে খাঁচায় বন্দি করে নির্যাতন করি। এটা নিষ্ঠুরতা।”

 

তার এই অভিনব প্রতিবাদের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “পৃথিবীর সব চিড়িয়াখানাগুলোতে, সার্কাসে, চলচ্চিত্রে, ঘরের বারান্দায় বা কাঁটাবনের দোকানগুলোতে বিভিন্ন নামে পশু পাখিদের বন্দি করে রাখার প্রতিবাদে আমার এই কর্মসূচি।”

 

তিনি আরো বলেন, “দীর্ঘদিনের একটি পদ্ধতি আমি একা পরিবর্তন করতে পারবো না। তাই লড়াইটা আমার নিজের সাথে নিজের। এখানে সরকার, রাজনীতি, সংগঠন, সংস্থা, ব্যক্তি কেউ জড়িত না। আমিও যন্ত্রণা নিতে চাই যেভাবে খাঁচায় বন্দী প্রাণীরা যন্ত্রণা পায়। আপনারা সবাই গালি-অপবাদ দিন, আমি হেরে যাবো না। যারা প্রকৃতি ভালোবাসেন আমাকে ভালোবাসেন তারা মাথায় হাত রাখবেন। যেন তিন দিন টিকে থাকতে পারি। মুক্ত হোক সকল খাঁচাবন্দি প্রাণী।”

তার একজন সহযোগী বলেন, “আগামী ৩ দিন হোসেন সোহেল খাঁচায় বন্দি থাকবেন। তিনি যদি এই সময়ে খাঁচা থেকে বেরও হন, তার পায়ে শিকল পরানো থাকবে। তিনি সমস্ত বন্দি পশু-পাখির মুক্তির দাবিতে এই আন্দোলন করছেন।”

 

Back to top button