সুনামগঞ্জে আদিবাসী তরুণী ধর্ষণ ঘটনায় ধর্ষক আটক

ছবি: ধর্ষক রাশিদ মিয়া
ধর্ষক আব্দুল রাশিদ মিয়াকে ঘটনার দিনই, গত ১৪ আগষ্ট পুলিশ আটক করেছে এবং মামলার সাপেক্ষে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রাতে তাহিরপুর থানা ভিকটিমের মায়ের অভিযোগ গ্রহণ করেছে এবং মামলা নং ১২ তাং ১৪/৮/২০২১ ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০৩ এর ৯ (১) হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। মামলার সাপেক্ষে তরুণীকে গতকাল সুনামগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে মেডিক্যাল টেস্ট করার জন্য।
ধর্ষক রাশিদ মিয়া এর পূর্বেও অনেক আদিবাসী নারীদের সাথে এরকম অশ্লীল আচরণ করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার ঘরে দুই স্ত্রী ও চারটি সন্তান এবং একটি মেয়েকে সে বিয়েও দিয়েছে।
ধর্ষক আব্দুল রাশিদ মিয়া (৪৫), পিতা পিতা আবুল কালাম, গ্রাম রাজাই, উপজেলা তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ যেন কিছুতে ছাড় না পায় সেদিকে সকলকে খেয়াল রাখতে বলেছে বাংলাদেশ জাতীয় হাজং সংগঠন। ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে তারা সোচ্চার রয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১৪ আগস্ট, সকালে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার রাজাই গ্রামের রাশিদ মিয়া কর্তৃক গ্রামের এক দরিদ্র হাজং আদিবাসী তরুণী (২৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। সকালে হাজং তরুণী বাড়ির পাশের ছড়াতে গোসল করতে গেলে তাকে একা পেয়ে রাশিদ মিয়া জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিম সেসময় নিজেকে রক্ষার জন্য আর্তচিৎকার করলেও প্রবল বৃষ্টির কারণে আশেপাশের কেউ শুনতে পায়নি।


