প্রাইভেট কারের চাপায় মৃত্যু হওয়া পপি ত্রিপুরার খুনের ঘটনায় জড়িত আসামী গ্রেফতার

সতেজ চাকমা: গত শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বেপরোয়া প্রাইভেট কারের চাপায় পপি ত্রিপুরা নামে আদিবাসী তরুণী নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলার আসামী প্রাইভেট কারটির চালক সাফিন(১৭) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল (২০ অক্টোবর) আনুমানিক রাত ২.০০ টার দিকে ধানমন্ডির আবাসিক এলাকা থেকে পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়।আসামী সাফিন কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ‘এ লেভেল’ এর ছাত্র। তার পিতা আনোয়ারুল হক মজুমদার (বাবলা)। তাদের বাড়ির ঠিকানা হচ্ছে ধানমন্ডি ১১, রোড-১৪, ঢাকা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ নানা মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে এই সতের বছরের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সাফিনকে কারা লাইসেন্স দিল প্রাইভেট কারের স্টিয়ারিং পরিচালার জন্য। বিআরটিএ যদি এই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তিকে লাইসেন্স না দিয়ে থাকে তবে সাফিনের বাবা-মা’ই এই অনুমতি প্রদানকারী।এক্ষেত্রে সাফিনের পাশাপাশি তার বাবা-মাকেও আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছে নিহতের পরিবার।
নিহতের আপন ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র জয়ন্ত ত্রিপুরা’র আজকের (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেয়া এক ফেসবুক স্টেটাসের মাধ্যমে জানা যায় আনোয়ারুল হক মজুমদারের পক্ষ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার মাধ্যমে মিমাংসার প্রস্তাবনাও এসেছে। নিহতের ভাই লিখেছেন, ‘দিদি ওরা আমাকে (৫০০০০) পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে সহমর্মিতা প্রকাশ করতে এসেছে, কত টা নিষ্ঠুর দেখ তুই।’ আসামীর বাবা আনোয়ারুল হক মজুমদার আসামী সাফিনের বাবা এ.এম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান বলেও জানা যায়।