জিয়াউদ্দিন তারেক আলীকে জাতি চিরকাল স্মরণ করবেঃ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন

আগামীকাল ৭ সেপ্টেম্বর। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের অন্যতম অগ্রীসৈনিক এবং সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি ও আদিবাসীদের পরম বন্ধু জিয়াউদ্দিন তারেক আলীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী । এ উপলক্ষ্যে তাঁকে স্মরণ করে সংবাদ মাধ্যমে প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছে সংগঠনটি।
সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সভাপতি জিয়াউদ্দীন তারেক আলী ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি, ছায়ানটের নির্বাহী সদস্য, ‘মুক্তির গান’ চলচ্চিত্রের অভিনয় শিল্পী, দেশের অন্যতম প্রগতিশীল চিন্তক, প্রচার বিমুখ, সমাজ সভ্যতা ও সংস্কৃতি জগতের নিবেদিত প্রাণ পুরুষ।
সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালের এই দিনে (৭ সেপ্টেম্বর) মহামারী করোনা ব্যাধিতে আক্তান্ত হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগি আট জনের একজন ছিলেন জিয়াউদ্দিন তারেক আলী। রাজধানী শেরে বাংলা নগরে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে গণ সংগীত দলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে তিনি রাজপথে গান গেয়ে বেড়িয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে শিল্পীদের সাথে নিয়ে তিনি স্মরণার্থী শিবিরে, মুক্তিযুদ্ধ ক্যাম্প, মুক্ত এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের গানের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধকরণে যুক্ত হন। তিনি একজন প্রকৌশলী ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজে দৈন্যতা তৈরী হয়েছে এবং সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে উল্লেখ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রয়াত এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জাতি চিরকাল স্মরণ রাখবে।