অন্যান্য

​শিক্ষায় সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নে হাইকোর্টের নির্দেশ

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাদে সারাদেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অর্থ, জনপ্রসাশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী ১ বছরের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদনও আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার (২ আগস্ট) এ বিষয়ে জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আবেদনটি ২০১২ সালে দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এবিএম নুরুল ইসলাম। পরে আদালত থেকে বেরিয়ে নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী চলছে। যা সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবরে করা প্রচলিত শিক্ষা কার্যক্রম নীতি মালাগুলো রাষ্ট্রপতি বা সংসদ প্রণয়ন করেননি।’

তিনি বলেন,‘আমি শিক্ষা ব্যবস্থায় সুনির্দিষ্ট আইন চেয়ে একটি রিট আবেদন দায়ের করেছিলোম। বিগত পাঁচ বছর আদালতে এ বিষয়ে শুনানি করেছি। এ নীতিমালায় দেশের মফস্বল এলাকায় শতকরা ৩৩ ভাগ নারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।’

আদালতে রিট আবেদনের শুনানিতে নুরুল ইসলামকে সহযোগিতা করেছেন অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন মহিম।

Back to top button