জাতীয়

পাহাড়ে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসব শুরু

বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের পর শুক্রবার থেকে শুরু হয় মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব।

এই উৎসবকে ঘিরে পাহাড়ে বৌদ্ধ বিহারগুলো বিরাজ করছে সাজসাজ রব। পাহাড়ের বিভিন্ন বিহারগুলোতে ধারাবাহিকভাবে এই ধর্ম উৎসব পালিত হবে।

শুক্রবার দুপুর ২টায় রাঙামাটি সদরের মোরঘোনা সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের জন্মস্থান মোরঘোনা বন বিহারে পালিত কঠিন চীবর দান। এখানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি রাজবন বিহার উপসক উপাসিকা পরিষদের সহ-সভাপতি গৌতম দেওয়ান, রাঙামাটি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অরুন কান্তি চাকমা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিতা চাকমা। পূণ্যার্থীদের পঞ্চশীল প্রদান করেন জিনোবোধি মহাস্থবির। এছাড়াও একই দিনে বাঘাইছড়ি উপজেলার আর্য্যপুর ধর্মোজ্জল বন বিহারেও পালিত হয় এ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান।

তথাগত গৌতম বুদ্ধের সময় বিশাখা নামে এক পূণ্যবতী কর্তৃক প্রবর্তিত রীতি অনুযায়ী জুম তুলা থেকে সুতা তৈরিসহ বুনন কাজের সকল প্রক্রিয়ার শেষে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পরিধেয় চীবর কোমর তাঁতের মাধ্যমে তৈরি করে শুক্রবার ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে দান করা হবে।

বিশাখার নিয়ম অনুসরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামেও তুলা থেকে সুতা বের করে রং করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চীবর তৈরি করা হয়। পূণ্যার্থীদের বিশ্বাস এ পূণ্য কাজের প্রভাবে মৃত্যুর পরে নির্মাণগামী হওয়া যায়।

Back to top button