অন্যান্যমতামত ও বিশ্লেষণ

“জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য তিন জেলার আদিবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ” বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
আমাদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন। আজ আমরা এখানে আপনাদের সামনে এমন সময়ে উপস্থিত হয়েছি যখন সারাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও প্রচার পুরোদমে চলছে। এই নির্বাচনের হাওয়া পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সকল জেলা ও অঞ্চলে বইতে শুরু করেছে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে নির্বাচনের পরিবেশ এখনো পাহাড়ী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য শঙ্কাহীনচিত্তে ও নিরাপদে নির্বাচনী কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ কিংবা স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুকূল নয়।

আপনারা নিশ্চয় লক্ষ করেছেন এ বছরের শুরু হতে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি মোটেও সুখকর ছিল না। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি রাজনৈতিক অধিকারকর্মী মিঠুন চাকমাকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাহাড়ে নতুন বছর শুরু হয়েছে। তারপর একের পর এক হত্যাকান্ড, নারী অধিকারকর্মী অপহরণ, নারী-শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যা, গণধর্ষণ, আদিবাসী সংখ্যালঘুদের জমি থেকে উচ্ছেদের ঘটনাসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার। কিন্তু একের পর এক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের দিক থেকে এর প্রতিকারের লক্ষ্যে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। যা রাষ্ট্রীয় বিচারহীনতার সংস্কৃতির অন্যতম উদাহরণ। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের এমন নির্লিপ্ত ভূমিকায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর যে শান্তির লক্ষ্যে পার্বত্য চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল সেই চুক্তি বিগত একুশ বছরেও পূর্ণবাস্তবায়ন না করতে পারার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্যমান পরিস্থিতি ক্রমাবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে ।

গত ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চুক্তির একুশ বছর পূর্ণ হলো। কিন্তু অত্যন্ত বেদনার সাথে বলতে হচ্ছে, একুশ বছরপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরকারীদের অন্যতম পক্ষ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে ঐদিন রাঙামাটিতে স্থানীয় প্রশাসন প্রকাশ্য সমাবেশের অনুমতি দেয়নি। প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে তারা ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠান করতে পারবে। অপরদিকে পার্বত্য জেলা পরিষদ ও সেনা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ঢাকা থেকে শিল্পীদের নিয়ে গিয়ে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে সম্প্রীতি কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং গুইমারা সেনা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দুইদিনের শান্তি মেলার আয়োজন করা হয় ঐ চুক্তি স্বাক্ষরকে উদযাপন করার নামে। চুক্তি স্বাক্ষরের অন্যতম পক্ষ পিসিজেএসএস এর প্রতি এহেন বৈষম্যমূলক ও বৈরী মনোভাবের উদ্দেশ্য বা কারণ আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।

চুক্তি সম্পাদনকারী দল আওয়ামীলীগ একনাগাড়ে ১০ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে সরকার পরিচালনা করার পরও চুক্তির প্রধান কয়েকটি ধারা এখনও অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে। তাই স্বাভাবিকভাবে জনগণের মনে প্রশ্ন জাগে পার্বত্য চুক্তির পূর্ণবাস্তবায়ন যে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল তা কবে সম্পন্ন হবে? দীর্ঘ একুশ বছর না পাওয়ার বেদনা থেকে পাহাড়ের মানুষগুলোর মনে আস্থার সংকট তৈরি হতেই পারে। কিন্তু সেসব মানুষগুলোর আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা জরুরি। আর কয়েকদিন পরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে পার্বত্য চুক্তি পুর্ণবাস্তবায়নের অঙ্গীকার, পাহাড়ের মানুষগুলোর স্বাভাবিক জীবনযাপন, স্বাধীন চলাফেরা ও মত প্রকাশের অধিকার, নির্ভয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের নিশ্চয়তা থাকবে সে বিষয়ে সরকারি দলসহ সকল রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আমরা সুস্পষ্টভাবে বক্তব্য শুনতে চাই। পাহাড়ী সংখ্যালঘুদের অধিকার কেড়ে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা কোনভাবেই সম্ভব নয় এ কথা আমাদের সকলকেই উপলব্ধি করতে হবে।

আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করে আসছি যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেশ কয়েক মাস ধরে উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এ বছরের আগষ্ট পর্যন্ত পার্বত্য জেলায় কমপক্ষে ৩৪ জন হত্যার শিকার হয়েছেন (সূত্র: প্রথমআলো, ২০ আগস্ট ২০১৮)। যাদের অধিকাংশই কোন না কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী। এছাড়া এসময়ে অপহরণ, গুম, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার মতন মানবাধিকার লংঘনের ঘটনাও সংঘটিত হয়েছে ২০টির অধিক। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে অপরাধ প্রতিরোধ কিংবা তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করা এবং আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি দেয়ারও কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনা। সেখানকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সক্রিয় ইতিবাচক ভূমিকা তেমনভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। এসব ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে আইন শৃংখলা কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামে এমন সংঘাতময় পরিস্থিতি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে ওয়াকিবমহল মনে করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে সুশাসনের অভাব ও বিচারহীনতার পরিবেশ অব্যাহত থাকায় সেখানে অপরাধের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে, যা সমগ্র দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সহায়ক তো নয়ই বরং একটি বড় বাঁধা। বিগত দিনের সংঘটিত ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনলে পার্বত্য চট্টগ্রামের এমন নৃশংস ঘটনা বারবার দেশবাসীকে দেখতে হতো না।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
পার্বত্য চট্টগ্রামের নারী নির্যাতনের মাত্রা যে ভয়াবহ রকমের উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে তা কয়েকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করলে আরো স্পষ্ট হবে। চলতি বছরে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সীতাকুন্ড ও রাউজানে আদিবাসী নারীর ওপর আক্রমণ, ধর্ষণ, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যা চেষ্টার মতন ঘটনা কমপক্ষে ২০টির অধিক সংঘটিত হয়েছে। তন্মধ্যে ২২ জানুয়ারি রাঙামাটির বিলাইছড়ির দুই মারমা তরুণীকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনা, ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় এক ত্রিপুরা কিশোরীকে ধর্ষণ, ১৮ মার্চ কুতুকছড়ি থেকে দুই হিল উইমেন্স ফেডারেশন নেত্রীকে অপহরণ, ১৩ এপ্রিল বান্দরবানের আলীকদমে এক ত্রিপুরা কিশোরীকে গণধর্ষণ, ১৮ মে সীতাকুন্ডে দুই ত্রিপুরা কিশোরীকে ধর্ষণের পরে হত্যা, ১৭ জুন বান্দরবানের লামায় নিজ বাড়ীতে মারমা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা, ২১ জুন খাগড়াছড়ির জেলা পরিষদ পার্কে এক কিশোরীকে গণধর্ষণ, ৫ জুলাই চট্টগ্রামের রাউজানে এক বৌদ্ধ মন্দিরের অনাথ আশ্রমে এক মারমা কিশোরীকে হত্যা, ৯ ও ১৭ জুলাই কাউখালী ও মহালছড়িতে দুই আদিবাসী কিশোরী ধর্ষণের শিকার, ২৮ জুলাই খাগড়াছড়ির নয় মাইল এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির কৃত্তিকা ত্রিপুরাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা, ২৩ আগস্ট বান্দরবানে দুই ত্রিপুরা কিশোরীকে বিজিবি সদস্যের দ্বারা ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনা, ২৫ নভেম্বর বান্দরবানের আলীকদমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা উল্লেখযোগ্য। এ ধরনের নারকীয় হত্যাকান্ড, ধর্ষণ ও অপহরণের মত জঘন্য ঘটনাগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে একের পর এক সংঘটিত হওয়ার পরে নাগরিক সমাজ, বিভিন্ন নারী ও মানবাধিকার সংগঠন থেকে বারবার দাবী করা সত্ত্বেও এসব অপরাধের কোন বিচার ও অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ না করার দায় সরকার কোনভাবেই এড়াতে পারেনা।
নির্বাচন নিয়েও তাই শঙ্কা পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রবলভাবে বিদ্যমান। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন নেতৃস্থানীয় মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে আসবার পথে বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা অঘোষিত চেক পোষ্ট বসানোর ফলে কার্যত তাদের ভোটদানে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ী আদিবাসীদের জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়। অনেকে তাদের ভোটার স্লিপ সাথে নিয়ে এসেছিলেন, তাদেরকে বলা হয় জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া তারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারবেন না। যেহেতু অনেক ভোটার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ভোট কেন্দ্রে আসেন সুতরাং তাদের আবার বাড়ী ফিরে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পুনরায় ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। আবার অনেকে ভীত সন্তস্ত্র হয়ে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। ফলশ্রুতিতে সেই সব এলাকায় আদিবাসী সমর্থিত প্রার্থী বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। ফলে নির্বাচন নিয়ে এই শঙ্কা এখনও আদিবাসী পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান। এছাড়া খাগড়াছড়ি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম জমা দিতে গেলে প্রার্থীর পক্ষের দুই কর্মীকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় যা অন্যান্য কর্মীদের মধ্যে আতংক বাড়িয়ে দিয়েছিল।
পার্বত্য জেলাগুলিতে এমন পরিস্থিতি কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা মনে করি নির্বাচনের আগে পার্বত্য তিন জেলাসহ সারাদেশে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে যাতে সাধারণ নাগরিক ও ভোটাররা নিশঙ্কচিত্তে, নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, ভোটের আগে, ভোটের দিন কিংবা তার পরে কোনরূপ নিপীড়ন, নির্যাতন, হয়রানির শিকার যেন তারা না হন তারও গ্যারান্টি দিতে হবে নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রকে। সে লক্ষ্যে আমরা নিম্নোক্ত দাবিগুলি নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরছি। এই ব্যাপারে গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ এবং দেশের সকল দায়িত্বশীল মহল ও দেশবাসীর প্রতিও এই সকল ন্যায্য দাবির পক্ষে সোচ্চার হবার অনুরোধ জানাই।
এমতাবস্থায়, উপরোক্ত অবস্থার প্রেক্ষিতে আয়োকজকদের পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত দাবীসমূহ পেশ করা হচ্ছে-

১.আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারগণ যাতে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। তাদের ভোট কেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করার মতো কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করা চলবে না। এ ব্যাপাওে নির্বাচন কমিশনকে জরুরী পদক্ষেপ নিতে হবে।

২.ভারত প্রত্যাগত পাহাড়ী শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ ভূমি উচ্ছেদের শিকার উদ্বাস্তুদের ভোটাধিকার যাতে সুনিশ্চিত হয়, তার জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

৩.পার্বত্য চুক্তির পূর্ণবাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সুস্পষ্ট ঘোষণার অঙ্গীকার থাকতে হবে।

৪.পার্বত্য অঞ্চলে সংঘটিত সকল হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষণ ঘটনার সুুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচারের যথাযথ আইনী ব্যবস্থা অবিলম্বে গ্রহণ করতে হবে।

৫.পার্বত্য চুক্তি পূর্ণবাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য তিন জেলায় স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারকে দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

৬.পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কার্যক্রম গতিশীল করতে এর প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও লোকবল বৃদ্ধি করে এ অঞ্চলের ভূমি বিরোধের আশু সমাধান করতে হবে।
আপনাদের সহযোগিতার জন্য আবারো ধন্যবাদ।

আয়োজকদের পক্ষে:
পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশন
অ্যাড. সুলতানা কামাল
খুশী কবির
ড. মেঘনা গুহঠাকুরতা
ব্যারিস্টার সারা হোসেন

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটি
গৌতম দেওয়ান
অধ্যাপক মংসানু চৌধুরী

এএলআরডি
শামসুল হুদা
……………………………………
“আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য তিন জেলার আদিবাসী ভোটারদের অবাধ অংশগ্রহণ” বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত বক্তব্য।
১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটি, ঢাকা।

Back to top button