নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক হতাহতের ঘটনায় বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দাবি ব্লাস্টের

করোনা ভাইরাস মহামারীতে সারা দেশে কঠোর লক ডাউন অবস্থায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকান্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলে গণমাধ্যম সূত্র থেকে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, কারখানার সিড়ি বন্ধ থাকায় নারী শ্রমিকসহ অনেকের লাফিয়ে পড়ে মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার এবং শাস্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। পাশাপাশি নিহত ও আহত সহ ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ, আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা সহ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তার দাবিও জানায় সংগঠনটি। সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে সংগঠনটি এই দাবি জানান।
উক্ত বিবৃতিতে আরো বলা হয় যে, রাণা প্লাজা, তাজরীন এবং ট্যাম্পাকোর ভয়াবহ বিপর্যয়ের এ ধরণের ঘটনা আমাদের কাছে অনাকাঙ্খিত। শ্রমিকের নিরাপদ কর্মক্ষেত্র এবং শ্রমিকের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সকল কারখানায় নিশ্চিত করতে হবে। শ্রম আইনে নিহত ও আহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের জন্য যে অপর্যাপ্ত অর্থের কথা উল্লেখ আছে তা অতি জরুরী পর্যালোচনা করে একটি সুনির্দিষ্ট মানদন্ড নির্ণয়ের জন্য সংশোধন হওয়া প্রযোজন।
২০১৩ সালে রাণা প্লাজা ধ্বসে যে নীতিমালার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ধার্য্য করার প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে তা প্রচলিত আইন এবং চর্চায় অনুসরণ করা উচিত বলেও মনে করে সংগঠনটি এবং পাশাপাশি এ ধরণের হত্যাকান্ডের তদন্ত প্রকাশ করা প্রয়োজন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া লকডাউন অবস্থায় শ্রমিকের নিরাপদ কর্মক্ষেত্র ও সুরক্ষার প্রতি যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ তদারকি করেন আমরা তার জোর দাবিও জানায় ব্লাস্ট।


